
HAAY HAAY CHAAND MAMA
হায় হায় চাঁদ মামা, গায়ে কেন ছেঁড়া জামা
উত্তরে মাথাটাকে ঘামা
পরীক্ষা যন্ত্রণা ফুরিয়েছে তেল
সে কারণে পাস করে পুনরায় ফেল
মূর্তির আঙুলে কলমের হাসি
চাঁদ মামা রোদে পুড়ে হয়ে গেল বাসি।
খুঁজছিল দুরবিন উদাসী পোকা
দিনের শুরুতে খায় ইয়া বড় ধোঁকা
তার পরও যতটুকু রয়ে যায় বাকি
দুষ্টুমি দুই চোখ দিয়েছিল ফাঁকি।
৩০ জুন ২০১৩, ঢাকা।
হায় হায় চাঁদ মামা, গায়ে কেন ছেঁড়া জামা। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: কারিশমা শানু সভ্যতা। সংগীতায়োজন: রেজাউল করিম লিমন। কণ্ঠধারণ: ২৯ অক্টোবর ২০১৩, ঢাকা।

KI KORE JORA DEYA JAAY
কী করে জোড়া দেয়া যায়,
তুমি উপায় খুঁজে দাও সায়।
সামান্য বিন্দুটা হয়ে যায় রেখা
সংকট যতটুকু কার কাছে লেখা।
মূর্তির আড়ালে মুখোশের মুখ,
জবাব চাইলে জট খুলে হয় সুখ।
অজস্র কতটুকু প্রশ্ন জাগে
সে কারণে আকাশটা ছোট্ট লাগে।
ফুটানিতে ফুটে থাকে চাঁদ-তারা ফুল
কুয়াশাতে দেখা গেল খুব কাছে কূল।
কী করে জোড়া দেয়া যায়,
ক্যানো বোকার মতো দিল রায়!
০৮ ডিসেম্বর ২০১২, ঢাকা।
কী করে জোড়া দেয়া যায়। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: লাবিক কামাল (গৌরব)। সংগীতায়োজন: লাবিক কামাল (গৌরব)। কণ্ঠধারণ: ১০ ডিসেম্বর ২০১৪, ঢাকা।

MAA CHARA PROTHOM
মা ছাড়া প্রথম জন্মদিন
তারিখটা সাদামাটা বেশভূষা সাধারণ বড্ড মলিন।
জন্মদিন... বড্ড মলিন...
আকাশটা গম্ভীর মেঘমুখ কালো
মোমবাতি একা একা ছুড়ে দেয় আলো।
যত দূর হাতছানি বিস্ময়ে ফাঁকি
তোমাকে মা মনে মনে বারবার আঁকি।
যুক্তি-তর্ক যত বন্ধু চমক
আঁধারের তারাগুলো দিচ্ছে ধমক।
জাদুকর কথা দিল, দিল সান্ত্বনা
তাকে দেখা স্বপ্নটা ঘরে থেকে যা না।
৫ নভেম্বর ২০১২, ঢাকা।
মা ছাড়া প্রথম জন্মদিন। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: মৈত্রী ইসলাম। সংগীতায়োজন: রেজাউল করিম লিমন। কণ্ঠধারণ: ২ অক্টোবর ২০১৩, ঢাকা।

BARANDATE RODH PORECHE
বারান্দাতে রোদ পড়েছে একলা কাঠের চেয়ার,
দুরবিনে চোখ, দেখব তাকে,
বসবে কি হায় সে আর।
কানামাছি খেলার ছলে অন্ধকারের কবি,
আকাশজুড়ে তাকিয়ে থাকা জন্মদাতার ছবি।
অভিমানের মুখোশ ছিল, ছিল আড়াল ফাঁক,
তখন বোধ হয় মুখোশ ছিল, ছিল আড়াল ফাঁক
যে কারণে পাইনি খুঁজে চেনা বুকের ডাক।
ছায়াপথের অলিগলি দরজা খোলার ভাষা,
মন্দ-ভালোর সমীকরণ ছন্দ সর্বনাশা!
যখন কোনো সুযোগ থাকে কল্পনাতে ভুল,
ঠিক সেখানে ফুটিয়ে দিল বিষ মাখানো হুল।
মুখরোচক সান্ত্বনাতে শিশুকালের ঘর
দেয় না কেন স্বচ্ছ করে কোনটা আপন-পর।
৩০ জুন ২০১৩, ঢাকা।
বারান্দাতে রোদ পড়েছে একলা কাঠের চেয়ার। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: রেজাউল করিম লিমন।সংগীতায়োজন: রেজাউল করিম লিমন। কণ্ঠধারণ: ১৩ জুলাই ২০১৩, ঢাকা।

ICE ICE ICE
ICE ICE ICE only 2 eyes
বরফ গলে জলের ধারা কোথায় হবে শেষ
কোনটা আমার দেশ?
এক পা দু’পা কয়েক সিঁড়ি ধাপ
দুপুর রোদে পুকুর-বুকে ঝাঁপ
খেলার সাথি তোমার কোলে শ্বাস
মা জননী কোথায় আমার বাস!
আত্মীয়তায় খেলাঘরের সাজ
আলো-ছায়া পায় না খুঁজে কাজ
কুড়িয়ে পাওয়া হারিয়ে যাওয়ার খোঁজ
তোমায় আমি খুঁজছি আমি রোজ।
৩০ জুন ২০১৩, ঢাকা।
বরফ গলে জলের ধারা। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: রূমানা খান। সংগীতায়োজন: রেজাউল করিম লিমন। কণ্ঠধারণ: ১৫ আগস্ট ২০১৩, ঢাকা।

GHUM BHENGE
ঘুম ভেঙে চোখের পাতায় অচিন খাতায় ঝাপসা লেখা,
আকাশটাকে নতুন করে চিনতে শেখা।
বিশেষ সময় কত সব আঁকিবুঁকি রঙিন ছবি
বৃষ্টিভেজা খুশি একাকার সবই।
চাওয়া-পাওয়া ওরা সব এসে বলে বন্ধু হবি
হারিয়ে যাওয়া মুখ একাকার সবই।
ঘুম ভেঙে চোখের পাতায় অচিন খাতায় ঝাপসা লেখা
মুহূর্তকে নতুন করে চিনতে শেখা।
জুন ২০০৯, ঢাকা।
ঘুম ভেঙে চোখের পাতায় অচিন খাতায় ঝাপসা লেখা। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: ফাহমিদা নবী। সংগীতায়োজন: ফুয়াদ নাসের বাবু। কণ্ঠধারণ: ১২ জুলাই ২০১২, ঢাকা।

BONDHUR TAAN
বন্ধুর টান কিছু মুক্তি, কিছু যুক্তির খেলা
বন্ধুর টান শক্ত-নরম আবেগের যত ঠ্যালা।
এখন বন্ধু বলে দাও তুমি মন খারাপের কারণ,
অথবা বলো তো আড়াল থেকে করছে কে কে বারণ।
কিছু উল্লাস কিছু দুঃখ সমীকরণের সম্বল,
কাঠফাটা রোদে উপহার দিল পশমে জড়ানো কম্বল।
প্রশ্নের পাখি আড্ডার ফাঁকে উড়ছে আকাশে চিল,
বিনা কারণে বিচার বসিয়ে ছুড়ছে আস্ত ঢিল।
আসল বন্ধু, নকল বন্ধু মধ্যেখানের ফাঁক,
স্বচ্ছ-সরল মানুষ কখনো করছে না রাখঢাক।
কিছু বিজ্ঞান কিছু সাধারণ আসলে সবটা ধারণা,
এখন দেখছি সবাই একলা বন্ধু কেউ তো কারো না।
২০ জুলাই ২০১২, ঢাকা।
বন্ধুর টান কিছু মুক্তি, কিছু যুক্তির খেলা। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: মাহাদী। সংগীতায়োজন: রেজাউল করিম লিমন। কণ্ঠধারণ: ২০ জুলাই ২০১৩, ঢাকা।

DUKKHOTE DOSHE PAI DOSH
দুঃখতে দশে পায় দশ, সুখ পুষে পায় সাত,
খোলা ঘর দুই হাত।
সামান্য জোছনা কুড়িয়েছে সারা রাত।
কৈফিয়তের চিঠি বারবার ভুল ঠিকানা
মুছে যায় বেখেয়ালে করেনি তো কেউ মানা,
অতঃপরের পরে অনেকটা দূর যত দূর
নিশ্বাস পৌঁছায় আশ্বাস তত ভরপুর।
গোলমেলে যোগাযোগ কিছুতেই হয় না তো যোগ
শিকারের লুকোচুরি তুমি শুধু করো উপভোগ,
সাঁতারের অবসরে ফিরে আসে নিজের ঘরে
মুছে যাওয়া অক্ষর মনে পড়ে অনেক পরে
১৫ মে ২০১৩, ঢাকা।
দুঃখতে দশে পায় দশ, সুখ পুষে পায় সাত। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: নওশেন জাহান দুনিয়া।সংগীতায়োজন: নির্ঝর চৌধুরী ও রোকন ইমন। কণ্ঠধারণ: ০২ জুলাই ২০১৩, ঢাকা।

KI DILE CHHAI
কী দিলে ছাই দিনে দিনে, আমাকে চিনে!
বারো ঘণ্টা চৌদ্দ মিনিট সমীকরণ কিনে।
পূর্ব-পশ্চিম এবং উত্তর-দক্ষিণে।
হাসপাতালের ঠান্ডা ঘরে জেলখানার ছাদ
যতেœ রাখা তালিকাটা শেষ মুহূর্তে বাদ।
মুখোশ-মুখর অধিবেশন বুঝতে পারি ঘুমে,
একটু-আধটু আওয়াজ আসে আড্ডা মহা ধুমে!
কারো কারো গলা উঁচু কারো কারো নিচু,
হিসাব করে অনুভূতি কত মাথাপিছু!
পেছন দিকে তাকালে হায় জলপ্রপাতের ঠ্যালা,
নোংরা পানি সাঁতার কাটে চক্ষু কোথায় গেলা।
অনুরোধের ঢেঁকি নিয়ে আত্মীয়দের শোক;
আত্মা ছাড়া আপন মানুষ আবেগ ভরা ঝোঁক!
ঘণ্টা-মিনিট গুনে গুনে নিশ্বাস আসে-যায়,
বিশ্বাস নামক শুকনা বৃক্ষ ঘুণ পোকাতে খায়!
ট্রাফিক জ্যামের মতন ভিড়ে বারান্দাতে জমা,
আল্লাহ-মাবুদ দয়া করে করবে নাকি ক্ষমা
ডাক্তার সাহেব সময় বেঁধে করে পায়চারি;
চিরবিদায় কতক্ষণে আজব নিয়ম জারি।
দুইটা হাতের মোনাজাতে ভরসাতে কাল
জীবন-মৃত্যুর মধ্যরেখা জটিলতার জাল।
১৮ মে ২০১৩, ঢাকা।
কী দিলে ছাই দিনে দিনে, আমাকে চিনে। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: অটমনাল মুন। সংগীতায়োজন: অটমনাল মুন। কণ্ঠধারণ: ০৩ জানুয়ারি ২০১৪, ঢাকা।